পাবনায় ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় আসামিদের বাড়িতে আগুন, দগ্ধে ৩ জনের মৃত্যু

পাবনার সদর উপজেলায় ৯ম শ্রেণির কিশোরী রিয়া খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের পর দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার (৮ জুন) একই হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছিল।
নিহতরা হলেন—পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পার্শ্ববর্তী নতুনপাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে সাপু।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন বিকেলে ভাঁড়ারা এলাকায় পদ্মা নদী থেকে রিয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৪ জুন তার মরদেহ দাফন করা হয়। দাফন শেষে ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আশপাশে থাকা কয়েকজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার সময় অভিযুক্তদের কেউ বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। দগ্ধরা সবাই প্রতিবেশী ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দা এবং উৎসুক জনতা ছিলেন বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে পিরপুর এলাকায় পদ্মা নদী থেকে রিয়া খাতুনের (১৫) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তাররা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।








