অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল ভাইরাল সেই ‘স্ট্রাইকার’ আশরাফুলকে

ফুটবল বিশ্বকাপের আমেজের মধ্যেই স্থানীয় একটি ফুটবল ম্যাচের ছোট্ট একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তোলে। ‘মেহরাবের চেষ্টা এবং আশরাফুলের মিস’ শিরোনামের সেই ভিডিওটি অল্প সময়েই বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। হাস্যরসাত্মক উপস্থাপনার কারণে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন আশরাফুল ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
দীর্ঘদিনের কৌতূহলের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিশ্চিত হওয়া গেছে ভাইরাল সেই ‘স্ট্রাইকার’ আশরাফুল ইসলামের পরিচয়।
আশরাফুল ইসলাম জানান, তার বাড়ি যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার বারবাকপুর গ্রামে। ভিডিওতে তার সঙ্গে দেখা যাওয়া মেহরাব এবং অন্যান্য খেলোয়াড়দের বাড়িও একই এলাকায়। বর্তমানে ২৬ বছর বয়সী আশরাফুল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় বিভাগে চাকরি করছেন।
ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওটির ধারাভাষ্যকার ছিলেন হৃদয় সুলতান সম্রাট নামের এক যুবক, যিনি বর্তমানে জেলা জজ আদালতে কর্মরত। সম্রাট গত ৩ জুলাই তার ফেসবুক পেজে ভিডিওটি আপলোড করেছিলেন। এখন পর্যন্ত ভিডিওটি আড়াই কোটিরও বেশি (২৫ মিলিয়ন) মানুষ দেখেছেন। ভিডিওটি এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়েছে যে, বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানের ফুটবল বিশ্লেষণেও রসিকতা করে এই ‘আশরাফুল-মেহরাব’ জুটির প্রসঙ্গ টানা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে আশরাফুল বলেন, খ্যাতি পাওয়ার পর তার জীবনে কিছু পরিবর্তন এসেছে। রাস্তাঘাটে বা পরিচিত মহলে অনেকেই তাকে দেখে হাসাহাসি করেন, যা মাঝে মাঝে তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে। তবে নেতিবাচক দিকের চেয়ে ইতিবাচক দিকটিই বেশি ভাবেন তিনি। আশরাফুলের মতে, তার এই অনিচ্ছাকৃত মজার ঘটনাটি যদি লাখ লাখ মানুষকে আনন্দ দিয়ে থাকে, তবে সেটি তার জন্য ভালো লাগার বিষয়।
ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলার পর ধারাভাষ্যকার হৃদয় সুলতান সম্রাট আশরাফুল ও মেহরাবকে নিয়ে আরও কয়েকটি ভিডিও তৈরি করেন। সেখানে তারা নিজেদের পরিচয় এবং ভাইরাল হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সম্রাটের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় আলোচিত মূল ভিডিওটি এখনো পিনপোস্ট হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।








