এবার ৯ বছরের কন্যাশিশুকে যৌন হয়রানি, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

রাজশাহীর পবায় নয় বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুক (৪২) নামে এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ওমর ফারুক উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন এবং গ্রাম্য চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। নিজ বাড়ির পাশে একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রায় ২২ দিন আগে প্রতিদিনের মতো শিশুটি পড়তে গেলে একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের কৌশলে বিদায় করে দেন ওমর ফারুক। এরপর শিশুটিকে একা পেয়ে যৌন হয়রানি করেন। বাড়ি ফিরে শিশুটি কান্না করে মায়ের কাছে পুরো ঘটনা জানায়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
শিশুটির মা বলেন, শিক্ষকতার মতো বিশ্বাসের জায়গায় এমন ঘটনার শিকার হতে হবে, তা কল্পনাও করেননি। পরে বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা মজিবুর রহমানকে জানালে তিনি বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দেন। তবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওমর ফারুক ও তার পরিবার। ওমর ফারুকের দাবি, শিশুটি মূলত তার স্ত্রীর কাছে পড়তে আসে। ঘটনার দিন স্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তিনি পড়াচ্ছিলেন, তবে কোনো অনৈতিক আচরণ করেননি। তার বাবা মজিবুর রহমানও অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন বলেন, ওমর ফারুক তাদের সংগঠনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন। বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তদন্তে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে।
বিজ্ঞাপন
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর মা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








