ভোলায় অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্সফ্যাটের বিরুদ্ধে অবস্থান

প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্সফ্যাটের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং এসব উপাদানের পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী চালুর দাবিতে ভোলায় অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মাই রাইট’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উৎপাদিত অনেক প্যাকেটজাত খাদ্যের মোড়কে ব্যবহৃত উপাদানের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ থাকে না। ফলে কোনো খাদ্যপণ্য ভোক্তার জন্য কতটা নিরাপদ, তা সহজে বোঝার সুযোগ থাকে না। বিশেষ করে লবণ, চিনি ও ট্রান্সফ্যাটের মাত্রা সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য না থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
‘মাই রাইট’ ভোলার নির্বাহী প্রধান শেখ ফরিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ভোলার সভাপতি মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী, নাজিউর রহমান কলেজের সহকারী অধ্যাপক জুন্নু রায়হান, ভোলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো. সুলাইমান, অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন প্রিন্স, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশীদ সুমন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি মঞ্জুর আলম, দৈনিক জনবাণীর জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক বাংলার কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার মো. ইয়ামিন, ভোলা মিডিয়া ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আরিয়ান আরিফ, ভোলা মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা, সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়া, আমিনুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সানি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা এছাক ফরাজীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বক্তারা বলেন, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণ করলে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারে এসব উপাদানের পরিমাণ সম্পর্কে ভোক্তাদের সহজবোধ্য তথ্য জানা প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপন
তারা খাদ্যপণ্যের মোড়কে লবণ, চিনি ও ট্রান্সফ্যাটের পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করার পাশাপাশি সহজে বোঝা যায় এমন স্বাস্থ্য সতর্কবাণী সংযুক্ত করার দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, শুধু ভোক্তাদের সচেতন করলেই হবে না; খাদ্যপণ্যে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্সফ্যাটের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কর্মসূচিতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।








