Logo

স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে ফাঁস নিলেন পুলিশ সদস্য

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
গাইবান্ধা
২৬ আগস্ট, ২০২৬, ২০:৪৯
স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে ফাঁস নিলেন পুলিশ সদস্য
ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের ব্যারাকের ওয়াশরুম থেকে হাবিবুর রহমান নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ভাষ্য, স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার একপর্যায়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শহরের পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ।

হাবিবুর রহমান নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ার মন্টু মিয়ার ছেলে। তার একটি ছোট ছেলে সন্তান রয়েছে। গত ১২ আগস্ট ঢাকায় দায়িত্ব পালন শেষে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোয় গার্ড হিসেবে যোগ দেন তিনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে মোবাইল ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছিলেন হাবিবুর। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তিনি ব্যারাকের ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় অন্য পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হয়। গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া কয়েকবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে কয়েকজন সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় হাবিবুরকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ভবনের রডের সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের বিষয়টি সামনে এসেছে। ঘটনার সময় হাবিবুর স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে ছিলেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, বিকেল সাড়ে ৩টার আগে বা পরে ওয়াশরুমে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে হাবিবুরের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD