কুড়িগ্রামে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুড়িগ্রামে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলা যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের দোয়েল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাসিম পারভেজ তারার সভাপতিত্বে সমাবেশে সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাদিম আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তফিজার রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোস্তফিজার রহমান বলেন, "আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই যুবদল বারবার দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নিজেদের প্রমাণ করেছে। আজকের এই তারুণ্যই আগামী দিনের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কোনো অন্যায় ও ষড়যন্ত্র এদেশের তরুণ সমাজ বরদাস্ত করবে না।"
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব এবং কুড়িগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিক।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, সহ-অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, জেলা যুবদল নেতা ওয়াজেদ আলী ঝিনুক, মো. ফারুক হোসেন, মোরশেদ হোসেন লিটু, আব্দুল হামিদ, রাকিবুল ইসলাম বকসী রকি, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আমিমুল এহসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান জোবায়ের হিমেল এবং যুবদল নেতা ওয়ায়েস কারনীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বিজ্ঞাপন
সমাবেশে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় বক্তারা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।








