শিবির প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তা নিয়ে মুখ খুললেন ছাত্রদলের সদস্য সচিব

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের দিনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মাহিমা আক্তারের উপর হেনস্তার অভিযোগে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।
বিজ্ঞাপন
শামসুল আরেফিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে নারী হেনস্তার কোনো বিষয় জড়িত নয়। তিনজন বহিরাগত নারী অবৈধ পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। আমরা বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানিয়েছি। পরিচয়পত্র না থাকায় পুলিশ তাদের সরিয়ে নিয়ে যায়।
অভিযোগ অস্বীকারের মধ্যেই ঘটনার অন্য দিক তুলে ধরেন মাহিমা আক্তার। তিনি বলেন, আমি মাহিমা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ঢাকার জজ কোর্টে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করছি। সকাল থেকেই আমি ভোট উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলাম, কারণ আমার স্বামী রিয়াজুল ইসলাম প্রার্থী।
বিজ্ঞাপন
মাহিমা আরও বলেন, কোর্টের সহকর্মী আপু তার সঙ্গে দেখা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। ফোনে তিনি জানান তিনি গেটের কাছে আছেন। তবে মূল গেট খুঁজতে খুঁজতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারের খুব কাছাকাছি চলে আসেন। তখন ছাত্রদলের কিছু কর্মী তাকে ‘অপরিচিত ব্যক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করে হয়রানির চেষ্টা চালান। আমি এগিয়ে গিয়ে বিষয়টি দেখার পর বুঝতে পারি যে তিনি আমার সহকর্মী।
তিনি আরও জানান, আপু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরও ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী বিষয়টিকে ইস্যু করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে ‘মব’ তৈরি হওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়।








