রিট খারিজ, ভোটের দৌড় থেকে ছিটকে গেলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী

কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন সংক্রান্ত আইনি লড়াইয়ে আপাতত ইতি টানল হাইকোর্ট। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা তার রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের আর সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতের রায়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্ত বহাল থাকলো।
এর আগে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) হাইকোর্টে রিটটির শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করা হয়। শুনানিতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন।
বিজ্ঞাপন
অপরদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী গত ১৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ওই রিটে ইসির ১৭ জানুয়ারির সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়। উল্লেখ্য, ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। আপিলে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এর ধারাবাহিকতায় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্টে রিট খারিজের ফলে সেই সিদ্ধান্তই চূড়ান্তভাবে কার্যকর থাকলো।








