সংসদ সদস্য আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মুফতি আমির হামজা-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে এ মামলা করা হয়।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে ১৯ এপ্রিল তাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছিল। নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ায় বিচারক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল জানান, একটি ধর্মীয় স্থানে বক্তব্য দেওয়ার সময় মন্ত্রীকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলে উল্লেখ করা হয়, যা মানহানিকর হিসেবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ২৯৬, ৫০০ ও ৫০৪ ধারায় মামলা করা হয়। সমন জারির পরও আসামি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আইন অনুযায়ী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতির বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হলেও পরোয়ানা জারিতে আইনি বাধা নেই বলে জানানো হয়। এরপর আদালত এ আদেশ দেন।
ঘটনার সূত্রপাত ২৬ মার্চ। সেদিন কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুমার খুতবার আগে এক আলোচনায় মন্ত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন আমির হামজা। পরে এ ঘটনায় একাধিক মানহানির মামলা দায়ের করা হয়।
একই ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। ওই মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া ১৩ এপ্রিল কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসককে নিয়ে করা আরেকটি মন্তব্যের অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। সেখানে দাবি করা হয়, এক বক্তব্যে তিনি জেলা প্রশাসকের বদলির জন্য বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করতে বলা হয়েছে, অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।







