Logo

শিক্ষার্থী মিমোর আত্মহত্যা : কারাগারে ঢাবির সেই শিক্ষক

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৪:৪০
শিক্ষার্থী মিমোর আত্মহত্যা : কারাগারে ঢাবির সেই শিক্ষক
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় একই বিভাগের এক শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন আদালতে আবেদন করে বলেন, তদন্তের স্বার্থে আসামিকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ তার জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন না দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন আসামিকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় আনা হলেও শুনানির সময় তাকে সরাসরি আদালতে হাজির করা হয়নি।

মামলার তদন্ত সংক্রান্ত আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকা থেকে সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কিছু আলামত পাওয়া গেছে বলেও দাবি করে পুলিশ। তদন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তাকে হেফাজতে রাখা প্রয়োজন বলে আদালতকে জানানো হয়। ভবিষ্যতে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়।

এর আগে একই দিন রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেনের কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

চিরকুটে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।’

এই ঘটনার পর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় এবং সেই মামলায় সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তের অগ্রগতি ও আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে এই আলোচিত মামলার ভবিষ্যৎ।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD