যাত্রাবাড়ী ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আ.লীগ নেতাসহ ৪ জন রিমান্ডে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এ আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন—ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক মো. রায়হান উদ্দিন (৩৫), রাসেল খান (৩২), আলা উদ্দিন (২৮) ও আব্দুল্লাহ মাসহুর আশরাফী (২০)। তাদের মধ্যে রায়হানকে চার দিন এবং অপর তিনজনকে দুই দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন। আসামিদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।
এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একজনকে শনাক্ত করার পর বংশাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে রায়হান উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ঘটনায় একজন অটোরিকশাচালক আহত হওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রায়হানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালবাগের জেন সাহা রোডের একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলার পার্কিং এলাকা থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল, আলা উদ্দিন ও আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রোববার আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হলেও ওই দিন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয় এবং মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক জুয়েল রানা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন।








