Logo

বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠ পাকিস্তানিদের হৃদপিণ্ড কাঁপিয়ে দিয়েছিল: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
৮ মার্চ, ২০২৪, ০৪:৫০
বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠ পাকিস্তানিদের হৃদপিণ্ড কাঁপিয়ে দিয়েছিল: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

ঘোষণাটিই পশ্চিম পাকিস্তানিদের ১৯৭১ সালের জনযুদ্ধের মাধ্যমে এদেশ থেকে হটিয়ে দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে রূপ দিয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেছেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালিপ্রেমী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর বজ্রকণ্ঠস্বর পশ্চিম পাকিস্তানিদের হৃদপিণ্ড কাঁপিয়ে দিয়েছিল। ঐদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ঘোষণা সত্যিকার অর্থেই ৭ কোটি বাঙালিকে পশ্চিম পাকিস্তানিরা দাবিয়ে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর এই অমোঘ ঘোষণাটিই পশ্চিম পাকিস্তানিদের ১৯৭১ সালের জনযুদ্ধের মাধ্যমে এদেশ থেকে হটিয়ে দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে রূপ দিয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ)  খাগড়াছড়ি টাউন হল প্রাঙ্গনে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এসময় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, জেলা প্রশাসক প্রতিনিধি মোঃ জুনায়েদ কবির সোহাগসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্রসহ বিভিন্ন সংগঠন ও শ্রেণি-পেশার মানুষ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা আরও বলেন, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ এখন বিশ্বের ঐতিহ্য ও অনন্য দলিল সম্পদে পরিণত হয়েছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ এবং তার কর্ম ও আদর্শ অনুসরণ করে সকলকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ব হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে নিয়োজিত স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নাজমুল আরা সুলতানা। অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমন্ডার রহিচ উদ্দিন, জেলা পরিষদ সদস্য কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া, উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স'র নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রী কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা, খাগড়াছড়ি সদর উপজেল পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মো. শানে আলম প্রমুখ।

জেবি/এসবি

বিজ্ঞাপন

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD