কাশ্মীরিদের সাথে যা করছে ভারত, প্রকাশ্যে এলো ভয়াবহ তথ্য

লোকসভায় বিরোধী দলের সদস্যরাও মোদি সরকারকে তুলোধুনো করেছে
বিজ্ঞাপন
যুদ্ধে সবাই বিজয়ী হতে চায়, পরাজয়ের দায়ভার কেউ নিতে চায় না। ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটিই ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় যুদ্ধবিরতি হলেও উভয় দেশই এখন পর্যন্ত যুদ্ধে জয়ী হওয়ার দাবি করছে। তবে, বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের পরাজয়টা প্রকাশ্যে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোল্যান্ড ট্রাম্পকে ধরে যুদ্ধবিরতি ঘটিয়ে মুখ রক্ষা করেছে দিল্লি। আর এতে নরেন্দ্র মোদির দম্ভ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। লোকসভায় বিরোধী দলের সদস্যরাও মোদি সরকারকে তুলোধুনো করেছে। এ অবস্থায় পেহেলগামে হামলার অজুহাতে জম্মু ও কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের জাতিসংঘস্থ স্থায়ী প্রতিনিধি অ্যাম্বাসাডর আসিম ইফতিখার আহমদ।
শুক্রবার (১৬ মে) জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক ব্রিফিংয়ে ইফতিখার আহমদ বলেন, ভারতের পেহেলগাম হামলার ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ভারত ২ হাজারের বেশি কাশ্মীরিকে আটক করেছে।
তিনি বলেন, ভারত পরিকল্পিতভাবে কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে দমন করতে গণগ্রেফতার, জোরপূর্বক গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
আসিম ইফতিখার আরও বলেন, সম্প্রতি বছরগুলোতেও কাশ্মীরে হাজার হাজার অজানা গণকবরের খোঁজ পাওয়া গেছে, যা ভারতীয় বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের গভীর সংকেত কেই বহন করে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, তদন্তে দেখা গেছে, ভারতীয় বাহিনী সাধারণ নাগরিকদের অপহরণ করে নির্যাতন চালায় ও আদালতের বাইরে তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
বিজ্ঞাপন
এ সময় পাকিস্তানের এই প্রতিনিধি মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করতে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংকট সমাধান, শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি ও সংঘাত প্রতিরোধের জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জোর আহ্বান জানান।
বিজ্ঞাপন
এমএল/








