Logo

বাংলাদেশের পর এলিট লিস্টে আফগানিস্তানের নাম

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২২:৪৪
বাংলাদেশের পর এলিট লিস্টে আফগানিস্তানের নাম
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তান এই তালিকায় দুইয়ে রয়েছে

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান হোম ভেন্যু মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বর্তমানে অন্যান্য শহরে তাদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে দেখা গেলেও, লম্বা সময় ধরে বেশিরভাগ ম্যাচ হতো মিরপুরে। তারই কল্যাণে টি-টোয়েন্টিতে এক ভেন্যুতে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ডটাও এখন টাইগারদের দখলেই। এবার আফগানিস্তান তাদের সেই এলিট লিস্টে নাম লিখিয়েছে।

শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৪৮টি টি-টোয়েন্টি খেলে জিতেছে ২৪টিতে। যা নির্দিষ্ট ভেন্যুতে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর হিসেবে নির্দিষ্ট একটি দলের সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ড। আফগানিস্তান এই তালিকায় দুইয়ে রয়েছে। শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) তারা শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৯তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নেমে পেয়েছে ২০তম জয়। বিশ্বের দ্বিতীয় পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে ফরম্যাটটিতে তারা এক ভেন্যুতে ন্যূনতম ২০ ম্যাচে জয় পেল।

বিজ্ঞাপন

এক ভেন্যুতে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি জয়

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ – শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম – ৪৮ ম্যাচে ২৪ জয়

বিজ্ঞাপন

আফগানিস্তান – শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম – ২৯ ম্যাচে ২০ জয়

পাকিস্তান – দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম – ৩২ ম্যাচে ১৮ জয়

পাকিস্তান – লাহোর গাদ্দাফি স্টেডিয়াম – ২৬ ম্যাচে ১৬ জয়

বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ আফ্রিকা – জোহানেসবার্গ ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়াম – ২৬ ম্যাচে ১৪ জয়

পাকিস্তান, স্বাগতিক আরব আমিরাত ও আফগানদের নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ চলছে। শুক্রবার আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭০ রান তোলে। জয়ের জন্য স্বাগতিকদের লক্ষ্য ছিল ১৭১ রান, কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৬৬ রানে থেমে যায়। আফগানদের পক্ষে ৩৫ বলে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান। তার সঙ্গে ওপেনিংয়ে রহমানউল্লাহ গুরবাজ যোগ করেন ৪০ রান (৩৮ বল)।

বিজ্ঞাপন

উদ্বোধনী জুটিতে ১২ ওভারে ৯৮ রান তুলে ফেলে আফগানিস্তান। এ ছাড়া করিম জানাত ১৪ বলে ২৮ এবং গুলবাদিন নাইব অপরাজিত থাকেন ১৪ বলে ২০ রান নিয়ে। আমিরাতের বাঁ-হাতি স্পিনার হায়দার আলি নেন ২ উইকেট।

বিজ্ঞাপন

জবাবে আমিরাতের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিম। তিনি ২৯ বলে ৪৪ রান করেন। পাঁচ নম্বরে নেমে আসিফ খান করেন ২৮ বলে ৪০ রান। আফগানিস্তানের পক্ষে ফারিদ আহমদ মালিক, মুজিব-উর-রহমান, শরফুদ্দিন আশরাফ, নূর আহমদ ও আব্দুল্লাহ আহমদজাই প্রত্যেকে একটি করে উইকেটের দেখা পান। আমিরাতই মূলত জয়ের পথে ছিল, কিন্তু ফরিদ আহমেদের শেষ ওভারে তারা ১৭ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি। ম্যাচটি হেরেছে ৪ রানে।

বিজ্ঞাপন

এমএল/ 

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD