বছর ব্যবধানে কমেছে পেঁয়াজ-রসুন, বেড়েছে কাঁচামরিচ-তেলের দাম

রাজধানীর কাঁচাবাজারে গত এক সপ্তাহে অধিকাংশ সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক সবজির দাম কমেছে। তবে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত এক বছরের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের বাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। চাল, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কমলেও ডাল, কাঁচামরিচ, ভোজ্যতেল ও মাংসের দাম বেড়েছে।
বিজ্ঞাপন
দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওঠানামা সরাসরি প্রভাব ফেলে পারিবারিক ব্যয়ে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাস শেষে গত এক বছরে মোটা চালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। তবে সুগন্ধি চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ।
ডালের বাজারে মসুর ডালের দাম কেজিতে ২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে খেসারির ডালের দাম কমেছে প্রায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ।
বিজ্ঞাপন
মসলাজাতীয় পণ্যের মধ্যে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং রসুনের দাম কমেছে ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। তবে শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।
ভোজ্যতেলের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়েছে। এক বছরে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ, পাম তেলের দাম ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং ব্র্যান্ডভেদে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া খোলা সরিষার তেলের দামও সামান্য, শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে ভোক্তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, গত এক বছরে ডিমের দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে।








