বাড়ল এলপিজির দাম, কোন সিলিন্ডার এখন কত?

চলতি আগস্ট মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন ঘোষণায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই মূল্য রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের পরিবর্তনের ভিত্তিতেই প্রতি মাসে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আগস্ট মাসের জন্য খুচরা পর্যায়ে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ৫ দশমিক ৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত মাসে ছিল ৭০০ টাকা। ১২ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৬৬৪ টাকা। এছাড়া ১৫ কেজির সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৭ টাকা এবং ১৬ কেজির সিলিন্ডারের দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৩০ টাকা।
এছাড়া ১৮ কেজির সিলিন্ডারের নতুন মূল্য ২ হাজার ৩৯৭ টাকা, ২০ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ৬৬৩ টাকা এবং ২২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ৯২৯ টাকায় বিক্রি হবে।
বিজ্ঞাপন
বৃহৎ আকারের সিলিন্ডারগুলোর মধ্যেও মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩ হাজার ৩২৯ টাকা, ৩০ কেজির ৩ হাজার ৯৯৫ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ৩৯৪ টাকা এবং ৩৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬৬০ টাকা। অন্যদিকে ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯৯২ টাকা।
শুধু গৃহস্থালি ব্যবহারের এলপিজিই নয়, যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অটোগ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা। গত মাসে এর দাম ছিল প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি লিটারে ৩ টাকা ২৭ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দর ওঠানামার সরাসরি প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ে। আমদানি-নির্ভর এই জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে আন্তর্জাতিক সৌদি সিপি (Contract Price) এবং অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে প্রতি মাসে নতুন হার ঘোষণা করে বিইআরসি।
বিজ্ঞাপন
মূল্যবৃদ্ধির ফলে এলপিজিনির্ভর পরিবার, ছোট ব্যবসা এবং অটোগ্যাস ব্যবহারকারী পরিবহন খাতের ব্যয় আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে পাইপলাইনের গ্যাস সুবিধার বাইরে থাকা গ্রামীণ ও শহরতলির বিপুলসংখ্যক পরিবারের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।








