Logo

ট্রাফিগুরার কাছ থেকে এক বছরে ৯ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩:৩৪
ট্রাফিগুরার কাছ থেকে এক বছরে ৯ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে ৯ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব কার্গো কেনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী দুই পক্ষের সম্মতিতে কার্গোর সংখ্যা কমানো বা বাড়ানো যাবে।

বিজ্ঞাপন

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজির দাম জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) সূচকের চেয়ে ০.১০ মার্কিন ডলার কম নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। থাইল্যান্ড থেকে অনলাইনে বৈঠকে অংশ নেন অর্থমন্ত্রী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

অনুমোদিত প্রস্তাবে এলএনজি সরবরাহকারী হিসেবে ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেডকে সুপারিশ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যসূচকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এ ক্রয়ের মোট ব্যয় নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে বাজারদর, সরবরাহের পরিমাণ এবং চুক্তির অন্যান্য শর্তের ওপর।

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য খাতে গ্যাসের সরবরাহ বজায় রাখতে এলএনজি আমদানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গ্যাসের চাহিদা পূরণ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি সংগ্রহ করে থাকে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে এলএনজি কেনার দুটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ বৈঠকেও সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, এলএনজি সরবরাহের জন্য চেনিয়ারের মার্কেটিং ইন্টারন্যাশনাল এলএলপি এবং ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেডের দাখিল করা প্রস্তাব জিটুজি পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াকরণের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬’-এর ৬৮ ধারা এবং ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৯৯(২) ও ১০৭(২) বিধি অনুসরণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, জরুরি প্রয়োজনে দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জনস্বার্থ রক্ষায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি কেনার আরেকটি প্রস্তাবেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রস্তাবের আওতায় বিপি সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড, সাহারা এনার্জি রিসোর্স লিমিটেড এবং শেল ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং মিডল ইস্ট লিমিটেড এফজেডইর কাছ থেকে এলএনজি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬’-এর ৬৮ ধারা এবং ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৯৭, ৯৮ ও ১০৭ বিধি অনুসরণ করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে এসব প্রস্তাবের আওতায় এলএনজির মোট পরিমাণ, ক্রয়মূল্য, সরবরাহের সময়সূচি এবং সামগ্রিক আর্থিক ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD