শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ছে না, নাকচ অর্থ মন্ত্রণালয়ের

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দেয়নি অর্থ মন্ত্রণালয়। ফলে তারা আগের নিয়ম অনুযায়ী মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাবেন।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়ে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তা অর্থ মন্ত্রণালয় নাকচ করে দিয়েছে। শনিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হিসেবে যে উৎসব ভাতা দেওয়া হয়, সেটি বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার কথা ছিল। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় এতে সম্মতি না দেওয়ায় আপাতত পুরোনো কাঠামোই বহাল থাকছে।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলনকে ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আপাতত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ছে না। এ বিষয়ে এখন পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা শিক্ষামন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন।
বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের দাবি, সরকারি চাকরিজীবীদের তুলনায় তারা অনেক কম সুবিধা পান। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বিদ্যমান ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পর্যাপ্ত নয়।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও কয়েক দফা উৎসব ভাতা বাড়ানোর দাবি তোলা হয়েছিল। তারা বলছেন, মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সীমিত আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উৎসবের সময় অতিরিক্ত ব্যয় সামাল দিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের ভোগান্তি বাড়ে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে কোনো উদ্যোগ নেয় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন শিক্ষকরা।








