সংশোধিত শিক্ষক বদলি নীতিমালা নিয়ে যে বার্তা দিল মন্ত্রণালয়

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত সংশোধিত বদলি নীতিমালা আগামী সপ্তাহেই জারি হতে পারে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র। নতুন সফটওয়্যার উদ্বোধনের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বদলি প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করতে একটি বিশেষ সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। এই সফটওয়্যার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার পর সংশোধিত নীতিমালা জারির পথ সুগম হবে। আগামী শনিবার শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সফটওয়্যারটির উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে। এরপর রবিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর নীতিমালা জারির সম্ভাবনা রয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বদলির সংশোধিত নীতিমালা ইতোমধ্যে প্রস্তুত রয়েছে। তবে এটি কার্যকর করার আগে সফটওয়্যার চালু এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে পর্যালোচনা জরুরি। সেই প্রক্রিয়া শেষ হলেই নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম ঘিরে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সম্প্রতি একটি ভার্চুয়াল সভা আয়োজন করে, যেখানে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বুধবার রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা চলা ওই সভায় বদলি সফটওয়্যারের ব্যবহারিক দিক তুলে ধরা হয়। মাউশির উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক) মো. ইউনুছ ফারুকী এতে সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় মূলত দেখানো হয়, শিক্ষকদের বদলির জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা যে তথ্য সফটওয়্যারে প্রদান করবেন, তা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কীভাবে যাচাই করবেন। পাশাপাশি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা কীভাবে এসব তথ্য পুনরায় যাচাই করবেন, সে বিষয়েও বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানান, এতে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বরং সফটওয়্যারের কার্যপ্রণালী ও তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। সফটওয়্যারটির কার্যকারিতা নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সফটওয়্যার চালু হওয়ার পর খুব দ্রুত শিক্ষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করা যাবে এবং এরপর ধাপে ধাপে বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এতে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ বদলি ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








