এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে যা জানালো শিক্ষা বোর্ড

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগামী ৩০ জুলাই ফল প্রকাশ করা হবে—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও শিক্ষা বোর্ড বলছে, এ ধরনের তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। তাই গুজব বা অনির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফলাফল প্রস্তুতের কাজ চলমান থাকলেও এখন পর্যন্ত ফল প্রকাশের দিন-তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্যকে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে দ্রুতগতিতে ফলাফল প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে চলছে এবং সব কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের তারিখ জানানো হবে।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ২০ মে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা থাকায় ২০ জুলাইয়ের মধ্যেই ফল প্রকাশের লক্ষ্য ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেও এবার সেই সময়সীমার মধ্যে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
বিজ্ঞাপন
এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিলেন। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে বহিষ্কারের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় ফল প্রকাশের পরও ইতিবাচক চিত্র দেখা যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। তাই ফল প্রকাশ নিয়ে বিভ্রান্তিকর পোস্ট বা গুজবে কান না দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের সরকারি ঘোষণা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।








