Logo

পাঠ্যবইয়ের কাগজের মান নিয়ে প্রশ্ন, ল্যাব টেস্টে মেলেনি ত্রুটি

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২০:১৩
পাঠ্যবইয়ের কাগজের মান নিয়ে প্রশ্ন, ল্যাব টেস্টে মেলেনি ত্রুটি
ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপার কাজের মধ্যে কাগজের মান নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পায়নি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। অভিযোগের পর বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) ল্যাবে কাগজ পরীক্ষা করা হলে নির্ধারিত মান অনুযায়ী ফল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।

বিজ্ঞাপন

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, মাধ্যমিকের বইয়ের প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন (পিডিআই) নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বিভিন্ন প্রেস থেকে কাগজ সংগ্রহ করে বিসিএসআইআরের ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি।

এনসিটিবি জানায়, পরীক্ষায় কাগজের ব্রাইটনেস ৮৫ (+/-২) পাওয়া গেছে। প্রাথমিকের বইয়ের জন্য জিএসএম ৮০ (+/-২) এবং মাধ্যমিকের জন্য ৭০ (+/-২) নির্ধারিত মানের মধ্যে রয়েছে। পাশাপাশি ব্রাস্টিং ফ্যাক্টর ১৮-এর বেশি এবং অপাসিটি ৮৫ (+/-২) পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বইয়ের পিডিআই এবং পোস্ট ল্যান্ডিং ইন্সপেকশনের (পিএলআই) জন্য আলাদা প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দিয়েছে এনসিটিবি। প্রাথমিকের পিডিআইয়ের দায়িত্বে রয়েছে ইনফিনিটি সার্ভে অ্যান্ড ইন্সপেকশন বিডি এবং মাধ্যমিকের দায়িত্ব পেয়েছে ইনডিপেনডেন্ট ইন্সপেকশন সার্ভিসেস বিডি।

অভিযোগ ওঠার পর গত ১৩ সেপ্টেম্বর কাগজের নমুনা বিসিএসআইআরে পাঠানো হয়। পরদিন পরীক্ষার প্রতিবেদন এনসিটিবিতে পাঠানো হয়। জানা গেছে, ৯টি প্রেস থেকে সংগ্রহ করা ৯টি কাগজের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ইনডিপেনডেন্ট ইন্সপেকশন সার্ভিসেস বিডির স্বত্বাধিকারী শেখ বেলাল হোসেন অভিযোগের বিষয়ে বলেন, তিনি ২০১০ সাল থেকে পাঠ্যপুস্তকের মান যাচাইয়ের সঙ্গে যুক্ত। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত নিয়ম মেনেই কাগজ পরীক্ষা ও ছাপাখানা পর্যবেক্ষণের কাজ করছে।

তিনি জানান, তার দুই ভাই বিপ্লব ও বদরুলও দীর্ঘদিন ধরে এ খাতের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত। তবে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের কাজ নিয়ে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক মতবিরোধ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সঠিকভাবে যাচাই করার আহ্বানও জানান শেখ বেলাল।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এদিকে এনসিটিবির কয়েকজন কর্মকর্তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একই পরিবারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ের কাজ হয়ে আসছে। তবে এ নিয়ে ওঠা অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য আলাদাভাবে সামনে এসেছে।

এবার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই ছাপার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব বই ছাপার কাজে ১০১টি প্রেস যুক্ত রয়েছে। প্রতিটি প্রেসে পিডিআই প্রতিষ্ঠানের একজন করে প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে এনসিটিবির।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD