ব্রেকআপের পর মন খারাপ নয় পার্টি করা উচিত: জেনিফার

প্রেম, বিয়ে ও বিচ্ছেদ—এই তিন অধ্যায় যেন হলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একাধিকবার বৈবাহিক সম্পর্ক ভাঙলেও তিনি সেটিকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখেন না। বরং তার বিশ্বাস, সম্পর্কের ইতি টানাও জীবনের নতুন শুরুর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তার মতে, সম্পর্ক ভাঙলে মন খারাপ না করে বরং আনন্দ করা উচিত, দেওয়া উচিত পার্টি।
বিজ্ঞাপন
লোপেজ মনে করেন, জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাগুলো আসে ধাক্কা খাওয়ার পর থেকে। তিনি বলেন, ‘মানসিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং আবেগীয় দিক থেকে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় বিকাশগুলো ঘটেছে হৃদয় ভাঙার পর থেকে। এটা শুধু রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নয়, ক্যারিয়ারের ব্যর্থতা বা কাজের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।’
বিচ্ছেদ মানুষকে নিজের দিকে তাকাতে বাধ্য করে উল্লেখ করে এই পপ তারকা আরও বলেন, ‘হৃদয় ভাঙলেই কেবল মানুষ নিজের ভেতরে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। তখন মানুষ নিজেকে প্রশ্ন করে, ‘কী ঝামেলাটা হলো? আমি এখন কী করব? কেন বারবার আমার সাথেই এমন হচ্ছে? অথবা ওটা কেন হলো না? আমি আরও ভালো কী করতে পারতাম?’ আর এভাবেই মানুষ নিজেকে পরিবর্তন করে।’
বিজ্ঞাপন

সাধারণত সমাজ ব্রেকআপ বা ডিভোর্সকে নেতিবাচক চোখে দেখলেও জেনিফারের ভাবনা একেবারেই উল্টো। তিনি চান মানুষ যেন বিচ্ছেদকে উদযাপন করে। লোপেজের কথায়, ‘আমাদের উচিত ব্রেকআপের পর পার্টি করা। মানুষের বলা উচিত, ‘তোমাদের ব্রেকআপ হয়ে গেছে? অভিনন্দন!’ কারণ, প্রথমত আপনি একটা সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। দ্বিতীয়ত, এটা সম্ভবত সবার জন্যই সবচেয়ে ভালো একটা বিষয় হয়েছে।’
ব্যক্তিগত জীবনে জেনিফার লোপেজ প্রথম বিয়ে করেন ১৯৯৭ সালে ওজানি নোয়ারকে। তবে সেই সংসার এক বছরের মধ্যেই ভেঙে যায়। পরে তিনি ক্রিস জুডের সঙ্গে ২০০১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এবং গায়ক মার্ক অ্যান্থনির সঙ্গে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দাম্পত্য জীবন কাটান। মার্ক অ্যান্থনির সঙ্গে তার যমজ সন্তান মাক্স ও এম্মে রয়েছে, যাদের বয়স এখন ১৮ বছর।
বিজ্ঞাপন
এরপর ২০১৯ সালে সাবেক বেসবল তারকা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের সঙ্গে বাগদান হলেও ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। একই বছরে পুরোনো প্রেমিক বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে আবার সম্পর্কে জড়ান জেনিফার। পরে ২০২২ সালে তারা বিয়ে করেন। কিন্তু সেই সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।








