রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিয়ে নিহত বাংলাদেশি যুবক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এক যুবক। নিহত আবদুর রহিম (৩০) রুশ বাহিনীর হয়ে ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
বিজ্ঞাপন
আবদুর রহিম ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুটিজানা নামাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আজিজুল হকের ছেলে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, জীবিকার তাগিদে গত বছর রাশিয়ায় পাড়ি জমান রহিম। সেখানে যাওয়ার পর তিনি রুশ বাহিনীর পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেন। সম্প্রতি ইউক্রেন সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন হামলায় তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার জানতে পারে।
বিজ্ঞাপন
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুটিজানা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. আফরোজা আক্তার। তিনি বলেন, আবদুর রহিম তার আত্মীয় এবং মৃত্যুর খবর শুনে পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে। দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ময়মনসিংহের আবদুর রহিম এবং কিশোরগঞ্জের রহিমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা রিয়াদ রশিদ (২৮)। একই ঘটনায় আহত হন আরও এক বাংলাদেশি লিমন দত্ত। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে একটি পা হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধে জড়ানোর খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে একাধিকবার উঠে এসেছে। বাংলাদেশ থেকেও কিছু তরুণ কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশে গিয়ে পরে যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন বলে বিভিন্ন সময়ে তথ্য পাওয়া গেছে।
আবদুর রহিমের মৃত্যুর ঘটনায় তার গ্রামের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা এখন সরকারের সহায়তায় মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।








