Logo

‘সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না’

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
মুন্সিগঞ্জ
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৩:৩৪
‘সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না’
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি হাসপাতালের সামনে আর কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে যেসব ক্লিনিকের অনুমোদন রয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে সেগুলোর অনুমোদনও বাতিল করা হবে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম থাকার পরও সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাপের কামড়ের পর রোগী বিষধর সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়ে যায়। তাই সাপ দংশনের সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসুন। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আগামী অক্টোবর থেকে হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এখানে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া দুই বছরের মধ্যে হাসপাতালটিতে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপন এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। আরও উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন তিথি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নুসরাত ফারজানা খানসহ সংশ্লিষ্টরা।

জেবি/এসডি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD