মার্কিন হামলায় উত্তপ্ত ভেনেজুয়েলা, কড়া হুঁশিয়ারি কিউবার

ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে ল্যাটিন আমেরিকায়। কিউবার রাষ্ট্রপতি মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক কড়া বিবৃতিতে ওয়াশিংটনের এই কর্মকাণ্ডকে ‘অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মার্কিন এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে দ্রুত এবং জরুরি ভিত্তিতে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বার্তা সংস্থা আলজাজিরা জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে দিয়াজ-কানেল বলেন, কিউবার ঘোষিত ‘শান্তি অঞ্চল’ আজ মার্কিন আগ্রাসনের মাধ্যমে নিষ্ঠুরভাবে পদদলিত হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ শুধু ভেনেজুয়েলার জনগণের বিরুদ্ধেই নয়, বরং সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকার বিরুদ্ধে পরিচালিত এক ধরনের ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’।
বিবৃতির শেষে কিউবার রাষ্ট্রপতি তার বিপ্লবী স্লোগান ‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু, আমরাই জয়ী হব’ পুনব্যক্ত করে নিজের অনড় অবস্থানের জানান দেন। কিউবা ও ভেনেজুয়েলার এই ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক জোট এবং মার্কিন বিরোধী অবস্থান ওয়াশিংটনের জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
বিজ্ঞাপন
এর আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, মার্কিন সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ পরিসরের অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে গ্রেপ্তার করে ভেনেজুয়েলার বাইরে স্থানান্তর করা হয়েছে। ৎ
আরও পড়ুন: বরফের নীচে মিলল হারানো এক “পৃথিবী”
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের এই দাবি স্বাধীনভাবে এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে তিনি দাবি করেন, গত ৩৬ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো দেশের ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতিকে নিজ ভূখণ্ডে গ্রেপ্তার করে তৃতীয় কোনো দেশ বা যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে। এর আগে ১৯৯০ সালে পানামা আক্রমণের সময় দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান ম্যানুয়েল নোরিগাকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়েছিল মার্কিন সেনাবাহিনী।
বিজ্ঞাপন








