গাজায় শান্তি রক্ষার জন্য ৫ দেশ সেনা মোতায়েনের অঙ্গীকার

ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স বা আইএসএফ)-এ যোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর বৈঠকে এই ঘোষণা দেন নতুন বাহিনীর কমান্ডার, মার্কিন সেনাবাহিনীর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স।
বিজ্ঞাপন
ওয়াশিংটন ডিসিতে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে জেনারেল জেফার্স জানান, এই প্রথম পদক্ষেপের মাধ্যমে গাজায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুনরায় স্থিতিশীল করতে আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ইন্দোনেশিয়া বাহিনীতে ডেপুটি কমান্ডার পদ গ্রহণ করেছে।
আরও পড়ুন: মিসরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো বৈঠকে উপস্থিত থেকে জানান, তার দেশ সর্বোচ্চ ৮,০০০ সেনা পাঠাবে। তিনি বলেন, “গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের অবদান থাকবে।”
বিজ্ঞাপন
কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ত তোকায়েভ জানান, তার দেশ চিকিৎসা ইউনিটসহ নির্দিষ্ট সংখ্যক সেনা পাঠাবে। মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা জানিয়েছেন, দেশটি গাজায় পুলিশ কর্মকর্তাদের মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত।
আলবেনিয়া, যার প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ইসরায়েল সফর করেছেন, গাজায় সেনা পাঠানোর অঙ্গীকার করেছে। পাশাপাশি, মিসর ও জর্ডান পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বাহিনীর অংশগ্রহণে সহায়তা করবে।
ইন্দোনেশিয়া গাজায় সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশটি বলেছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন কার্যকর করা এবং ইসরায়েলের হামলায় মানুষের প্রাণহানির মাত্রা কমাতে সহায়তা করা হবে। ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৭২,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
আইএসএফ-এর প্রথম দল হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার সেনারা গাজায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তারা রাফাহের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থান করবে, যেখানে অফিস ও বাসস্থান নির্মাণের কাজ চলছে।
এই উদ্যোগটি গাজায় চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নতুন প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।








