ইসরায়েল, ইরাক ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

ইরানি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ইসরায়েল, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে তারা হামলা চালিয়েছে। হামলার পর ইসরায়েলে কিছু সময় পরপর অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন শোনা গেছে এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আইআরজিসির বক্তব্য অনুযায়ী, ইরাকের এরবিল অঞ্চলের হারির বিমানঘাঁটি, কুয়েতে মার্কিন সেনাদের অবস্থানরত আলী আল সালেম ও আরিফজান ঘাঁটিতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে গুরুতর অস্ত্র সংকটে পড়েছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘সেমাফোর’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ‘ইন্টারসেপ্টর’-এর মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে এসেছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে তেল আবিব আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াশিংটনকে জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে ইসরায়েল জানিয়েছে যে তাদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টরের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। মূলত গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা শুরুর পর থেকেই এসব সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। চলমান সংঘাতে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে সেই সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার মিউনিশন’ বা গুচ্ছ বোমা যুক্ত করা শুরু করেছে। এর ফলে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বেড়েছে এবং প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাওয়ার পেছনে এটিও একটি বড় কারণ।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: সেমাফোর, সিএনএন








