Logo

চাঁদ অভিমুখী মহাকাশযান থেকে পৃথিবী দেখার অভিজ্ঞতা জানালেন নভোচারীরা

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:২৮
চাঁদ অভিমুখী মহাকাশযান থেকে পৃথিবী দেখার অভিজ্ঞতা জানালেন নভোচারীরা
ছবি: সংগৃহীত

চাঁদ অভিমুখী মহাকাশযান আর্টেমিস-২-এর চারজন নভোচারী বৃহস্পতিবার গভীর রাতের দিকে পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রম করেছেন। তারা এখন দ্রুতগতিতে চাঁদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

প্রায় ছয় মিনিটের ইঞ্জিন ফায়ারিং-এর পরে নভোচারীরা সংবাদ সম্মেলন করেন। প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, মহাকাশচারীরা একে অপরের দিকে ভাসমান মাইক্রোফোন ছুড়ে দিচ্ছেন, মুখে হাসির ঝিলিক। তারা জানান, মহাকাশযানের ভিতরের তাপমাত্রা কিছুটা শীতল হলেও পরিবেশকে থাকার উপযোগী করে নিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে কমান্ডার রিড ওয়াইসম্যান বলেন, “এখান থেকে আপনি এক মুহূর্তে পুরো পৃথিবী দেখতে পারবেন। আফ্রিকা, ইউরোপ এবং মনোযোগ দিলে উত্তর মেরুর আলোকছটাও দেখা যায়।” তিনি উল্লেখ করেন, এটি ছিল তাদের দেখা সবচেয়ে চমৎকার দৃশ্য এবং সবাই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আর্টেমিস-২ অভিযানে ওয়াইসম্যানের সঙ্গে আছেন ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোক এবং জেরেমি হ্যানসেন। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহাকাশযানটি এখন একটি ‘ফ্রি-রিটার্ন’ পথে আছে, যা চাঁদের মহাকর্ষ শক্তি ব্যবহার করে বাড়তি জ্বালানি ছাড়া পৃথিবীর দিকে ফিরিয়ে আনবে। নাসার কর্মকর্তা লরি গ্লেজ জানান, কক্ষপথীয় বলবিদ্যার নিয়মগুলোই নভোচারীদের চাঁদের প্রদক্ষিণ করিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনবে।

নভোচারীরা তাদের স্যুটে যাত্রা করছেন, যা জরুরি পরিস্থিতিতে ছয়দিন পর্যন্ত অক্সিজেন, তাপমাত্রা এবং বায়ুচাপ বজায় রাখতে সক্ষম। প্রথম কয়েক ঘণ্টা তারা যানের সিস্টেম পরীক্ষা করেছেন এবং যাত্রার সময় টয়লেট বা যোগাযোগে ছোটখাটো সমস্যার সমাধান করেছেন।

বিজ্ঞাপন

টয়লেট পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ক্রিস্টিনা কোক হাসিমুখে বলেন, “নিজেকে ‘স্পেস প্লাম্বার’ হিসেবে পরিচয় দিতে পেরে গর্বিত। টয়লেট ঠিকঠাক কাজ করছে দেখে আমরা সবাই স্বস্তি পেয়েছি।”

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD