ইরানি হামলা মোকাবিলায় সৌদিতে জরুরি বৈঠক জিসিসির

ইরানি হামলা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া ও সমন্বিত পদক্ষেপ নির্ধারণে সৌদি আরবে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) নেতাদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার জেদ্দায় শুরু হওয়া এ বৈঠকে অংশ নেন উপসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ নেতারা।
বিজ্ঞাপন
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর নেতারা সরাসরি মুখোমুখি আলোচনায় বসেন। এক উপসাগরীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ও কৌশল নির্ধারণই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।
যুদ্ধকালীন হামলায় জিসিসিভুক্ত ছয় দেশের জ্বালানি অবকাঠামো, সামরিক স্থাপনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর হামলার মাত্রা কিছুটা কমলেও, স্থায়ী সমাধান নিয়ে আলোচনা এখনও অগ্রগতিহীন থাকায় নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।
সৌদি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে কাতারের আমির, কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, বাহরাইনের রাজা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অংশ নেন। জিসিসির আরেক সদস্য ওমানের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন
এদিকে উপসাগরীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে জিসিসির ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা সামনে এসেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ কর্মকর্তা আনোয়ার গারগাশ এক বক্তব্যে বলেন, লজিস্টিক সহায়তা থাকলেও রাজনৈতিক ও সামরিক সমন্বয়ের দিক থেকে জিসিসি দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আরব লীগের ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি প্রত্যাশিত হলেও জিসিসির ক্ষেত্রে এটি বিস্ময়কর।
সূত্র: রয়টার্স








