ওপেক থেকে বেরিয়ে গেল আরব আমিরাত, বিশ্ববাজারে নতুন অস্থিরতা

বিশ্বের প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক এবং ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
দীর্ঘদিন ধরে ওপেকের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে থাকা আমিরাতের এই আকস্মিক প্রস্থান সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে এবং জোটের কার্যকারিতা দুর্বল হয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-সংক্রান্ত উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে নিরাপত্তা সংকটের মধ্যেই আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত এসেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো ইতিমধ্যে ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে তেল রপ্তানিতে জটিল পরিস্থিতির মুখে রয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।
বিজ্ঞাপন
এরই মধ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা ও জাহাজ চলাচলে হামলার কারণে উপসাগরীয় তেল উৎপাদক দেশগুলোর রপ্তানি কার্যক্রমও চাপে রয়েছে।
আমিরাতের এই সিদ্ধান্তের পেছনে আঞ্চলিক রাজনৈতিক অসন্তোষও ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের হামলা পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ ‘গালফ ইনফ্লুয়েন্সার ফোরাম’-এ বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলো একে অপরকে লজিস্টিক সহায়তা দিলেও রাজনৈতিক ও সামরিক সমন্বয় ঐতিহাসিকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আরব লীগের ক্ষেত্রে এমন অবস্থান প্রত্যাশিত হলেও জিসিসির ক্ষেত্রে বিষয়টি বিস্ময়কর।
সূত্র: আল-জাজিরা








