ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ শেষ হলে কমবে জ্বালানির দাম

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়লেও পরিস্থিতি শান্ত হলে বছরের শেষ নাগাদ দাম কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
বিজ্ঞাপন
রবিবার ফক্স নিউজের বিজনেস নেটওয়ার্কে প্রচারিত ‘সানডে মর্নিং ফিউচারস’ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্কট বেসেন্ট বলেন, সংঘাতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম আবারও কমে যাবে।
আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত মঙ্গলবার খুচরা পর্যায়ে প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় দাম ৭ সেন্ট বেড়ে ৪ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়ায়, যা এক মাসে একদিনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধির রেকর্ড। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এখন পর্যন্ত গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালনে ১ দশমিক ১৯ ডলার বা ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়ে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।
এদিকে, এনার্জি সার্ভিস প্রতিষ্ঠান বেকার হিউজ জানিয়েছে, মার্কিন জ্বালানি কোম্পানিগুলো টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমে ব্যবহৃত খনন যন্ত্রের সংখ্যা বাড়িয়েছে, যা গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ের পর প্রথমবারের মতো ধারাবাহিক বৃদ্ধি।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: ফক্স নিউজ








