বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অগ্রগতির বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সন্দেহ তৈরি হওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ করে ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত এবং হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা ঘিরে দুই দেশের অবস্থান এখনো অচলাবস্থায় থাকায় বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। শুক্রবার (২২ মে) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ৩ শতাংশ বা ২ দশমিক ৩৮ ডলার বেড়ে দাঁড়ায় ১০৪ দশমিক ৯৬ ডলারে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বা ১ দশমিক ৭৩ ডলার বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ০৮ ডলারে পৌঁছেছে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে বৃহস্পতিবার উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল, যা গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো যাবে না বলে জানিয়েছে ইরানি সূত্র। এতে যুক্তরাষ্ট্রের মূল দাবির বিপরীতে তেহরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে, যা শান্তি আলোচনায় নতুন জটিলতা তৈরি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরও হতাশ করতে পারে এবং ইরান–যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়াকে কঠিন করে তুলতে পারে।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য কোনো চুক্তিতে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশটির বাইরে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আশ্বাস দিয়েছে।
এদিকে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, ইরান ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে, যা বেসামরিক ব্যবহারের চেয়ে অনেক বেশি এবং অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রার কাছাকাছি। তবে ইরান এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: আল-জাজিরা








