Logo

চুক্তি না হলে ইরানে আবারও হামলা চালাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩০ মে, ২০২৬, ১৬:২৭
চুক্তি না হলে ইরানে আবারও হামলা চালাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় সমঝোতা না হলে দেশটির বিরুদ্ধে আবারও সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচকরা একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে বিদ্যমান বড় ধরনের মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৩০ মে) সিঙ্গাপুরে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে পিট হেগসেথ বলেন, “প্রয়োজনে আমরা আবারও অভিযান শুরু করার সক্ষমতা রাখি এবং সে জন্য আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।”

তিনি আরও বলেন, আমাদের অস্ত্রভান্ডার এ ধরনের অভিযানের জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত। শুধু ওই অঞ্চলে নয়, বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও আমাদের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা রয়েছে। এ দিক থেকে আমরা খুবই শক্ত অবস্থানে আছি।

বিজ্ঞাপন

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে হেগসেথ বলেন, ইরান নিয়ে উত্তেজনা চললেও যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চল থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়নি। বরং একই সঙ্গে একাধিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয় মোকাবিলার সক্ষমতা দেশটির রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একই সময়ে একাধিক কাজ করতে পারি। আমাদের প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তিকে দ্রুত সম্প্রসারণ করা হচ্ছে, যাতে খুব শিগগিরই অস্ত্র ও গোলাবারুদের উৎপাদন দুই, তিন এমনকি চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানো যায়। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আমাদের সামরিক পরিকল্পনাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিশ্চিত করা হবে।

পেন্টাগন প্রধান জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধৈর্যশীল অবস্থান বজায় রেখেছেন এবং এমন একটি চমৎকার চুক্তি করতে চান, যা নিশ্চিত করবে যে ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি প্রস্তাব নিয়ে তিনি হোয়াইট হাউসের নিরাপদ বৈঠক কক্ষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিন পর্যন্ত বাড়ানোর আলোচনা চলছে, যাতে আলোচকরা স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে পারেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা সংঘাতে ইরান ও লেবাননে হাজারো মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ সময় ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাব পড়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও।

বিজ্ঞাপন

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD