রাজনীতিতে আসছে কি সিজেপি? জানালেন দলের নেতারা

প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের পর ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। আন্দোলনের সফল সমাপ্তির পর সংগঠনটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দলে রূপ নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এর শীর্ষ নেতারা।
বিজ্ঞাপন
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাশ বলেন, আপাতত রাজনৈতিক দল গঠন তাদের মূল লক্ষ্য নয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সৌরভ দাশের ভাষ্য, ভারতে ইতোমধ্যে ৭৫০ থেকে ৮০০টি রাজনৈতিক দল রয়েছে। কিন্তু এসব দলের অনেকেই তরুণদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তাই তাদের লক্ষ্য হলো আন্দোলনের চেতনাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া, যাতে ক্ষমতায় যে দলই থাকুক না কেন, তরুণদের দাবি উপেক্ষা করতে না পারে।
বিজ্ঞাপন
রাজনীতি নিয়ে আশুতোষের মন্তব্য
ভবিষ্যতে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি আশুতোষ রাঙ্কা। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ভারতে কোনো সম্ভাবনাকেই পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে এই মুহূর্তে তার অগ্রাধিকার বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নেওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।
তিনি জানান, প্রায় দুই মাস ধরে বাড়ির বাইরে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাই আন্দোলনের সফল পরিণতি তাদের জন্য যেমন আবেগের, তেমনি স্বস্তিরও।
বিজ্ঞাপন
আন্দোলনের সাফল্য
গত ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। শুরুতে এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্রচারণা হিসেবে শুরু হলেও পরে তা দেশের অন্যতম বড় যুব আন্দোলনে পরিণত হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এই আন্দোলনের চাপের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। মোদী সরকারের আমলে কোনো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা বিরল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শেষ দফার বৈঠকে বিজেপির সভাপতি জে.পি. নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করেন সিজেপির প্রতিনিধিরা। নেতাদের দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়।
মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস
বিজ্ঞাপন
আশুতোষ রাঙ্কা জানান, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সরকারের সঙ্গে সমঝোতা অনুযায়ী, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তি ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সিজেপির আয়োজকদের বিরুদ্ধে নতুন কোনো মামলা করা হবে না বলেও তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি








