ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে সহায়তার হাত বাড়াল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে অন্তত ৩২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় বহু ভবন ধসে পড়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সরকার।
বিজ্ঞাপন
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কম্পন শুধু ভেনেজুয়েলাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না; এর প্রভাব প্রতিবেশী ব্রাজিল ও কলম্বিয়াতেও অনুভূত হয়েছে। এ অবস্থায় আর্জেন্টিনাসহ লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশ ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, প্রথম ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল কারাকাস থেকে প্রায় ১৬৮ কিলোমিটার পশ্চিমে মোরন এলাকায়। এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২। প্রায় এক মিনিটের ব্যবধানে একই অঞ্চলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প আঘাত হানে।
বিজ্ঞাপন
ইউএসজিএস সতর্ক করেছে, এই দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও উল্লেখযোগ্য প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জরুরি অবস্থা জারি করেন। ক্ষয়ক্ষতির কারণে রাজধানীর সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
দুর্যোগের পর ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া ও উরুগুয়ে। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা তার সরকারকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইও ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এদিকে সহায়তার আশ্বাস দেওয়ায় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা, এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নায়েব বুকেলে এবং ডোমিনিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্ট লুইস আবিনাদিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ সহযোগিতাকে আঞ্চলিক সংহতি ও বন্ধুত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ বলে উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: আল-জাজিরা








