Logo

মক্কা চুক্তির তিন দেশের মধ্যে কার সামরিক শক্তি বেশি?

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১৯:৪৯
মক্কা চুক্তির তিন দেশের মধ্যে কার সামরিক শক্তি বেশি?
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে গত শুক্রবার সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় একটি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়েছে। এরই মধ্যে চুক্তিটি ‘মক্কা চুক্তি’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও কৌশলগত সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিজ্ঞাপন

চুক্তিতে স্বাক্ষর করা তিন দেশই সুন্নি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে দেশ তিনটির অবস্থান অবশ্য এক নয়। জনবল, যুদ্ধবিমান, ট্যাংক, নৌযান ও প্রতিরক্ষা বাজেটের হিসাবে তাদের শক্তির চিত্র তুলে ধরা হলো—

সৌদি আরব

সৌদি আরবের জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৬৫ লাখ। দেশটির সক্রিয় সামরিক সদস্যের সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার। সামরিক বিমান রয়েছে ৯১৭টি এবং যুদ্ধ ট্যাংক ১ হাজার ৮৫টি। নৌবাহিনীতে রয়েছে ৩২টি জাহাজ।

বিজ্ঞাপন

সামরিক খাতে সৌদি আরবের বার্ষিক বাজেট প্রায় ৬৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার।

তুরস্ক

তুরস্কের জনসংখ্যা প্রায় ৮ কোটি ৪১ লাখ। দেশটির সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যা ৪ লাখ ৮১ হাজার। সামরিক বিমান রয়েছে ১ হাজার ১০১টি। এছাড়া যুদ্ধ ট্যাংক রয়েছে ২ হাজার ২৮৪টি এবং নৌবাহিনীর জাহাজ ১৯২টি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তুরস্কের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় ৫১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।

পাকিস্তান

বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানের জনসংখ্যা প্রায় ২৫ কোটি। দেশটির সক্রিয় সেনাসদস্য রয়েছে ৬ লাখ ৬০ হাজার। সামরিক বিমান রয়েছে ১ হাজার ৩৯৭টি। যুদ্ধ ট্যাংকের সংখ্যা ২ হাজার ৬৭৭টি এবং নৌবাহিনীর জাহাজ রয়েছে ১২০টি।

তবে সামরিক বাজেটের দিক থেকে সৌদি আরব ও তুরস্কের তুলনায় পাকিস্তান পিছিয়ে। দেশটি প্রতিরক্ষা খাতে বছরে প্রায় ৯ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে।

সামরিক সক্ষমতার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জনবল ও যুদ্ধ ট্যাংকের সংখ্যায় পাকিস্তান এগিয়ে থাকলেও প্রতিরক্ষা বাজেটের দিক থেকে সৌদি আরব সবচেয়ে এগিয়ে। অন্যদিকে তুরস্কের নৌবাহিনী ও সামরিক সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্য।

বিজ্ঞাপন

সূত্র: আলজাজিরা

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD