ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, সংসদ গেটে বিরোধীদের প্রতিবাদ

পুলিশি দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সারা ভারতে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির দাবি, দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ বর্বর আচরণ করছে। তবে তাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে চলবে এবং দিল্লির যন্তর মন্তরেও বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে একই দিনে ভারতের সংসদ ভবনের প্রবেশমুখে আবারও বিক্ষোভে নেমেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদের ভেতরেও অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা এ ঘটনার দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন।
চলমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার কারণে দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার মধ্য দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এর আগে বুধবার থেকে ১৬টি স্টেশন বন্ধ ছিল। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝান্ডেওয়ালান মেট্রো স্টেশনও সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। বিক্ষোভের কারণে যাত্রীদের বিকল্প পথ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)।
অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন এবং কঠোর শাস্তির বিধান রেখে একটি খসড়া বিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
বিজ্ঞাপন
ভিডিওবার্তার সঙ্গে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।
ভিডিওবার্তায় মোদি বলেন, প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এটি লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য গভীর কষ্টের কারণ। গত আড়াই মাসে সরকার এ ঘটনায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস








