রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের বার্তা দিলেন কিম জং উন

কোরিয়া মুক্তি দিবস উপলক্ষে রাশিয়ার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় তিনি এ অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বলে রোববার (১৬ আগস্ট) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ইতিহাস স্মরণ করে পুতিনের পাঠানো অভিনন্দনবার্তার জবাবে কিম বলেন, দুই দেশের বর্তমান সম্পর্ক যৌথ সংগ্রাম ও দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যাচ্ছে।
ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেনা ও অস্ত্র সহায়তার কারণে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক সহযোগিতা সাম্প্রতিক সময়ে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এর মধ্যেই কোরিয়া মুক্তি দিবসের আয়োজনের অংশ হিসেবে রুশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘পালাদা’ উত্তর কোরিয়ার ওনসান বন্দরে পৌঁছায়। সেখানে স্থানীয় কর্মকর্তা ও রুশ কূটনীতিকরা জাহাজটিকে স্বাগত জানান।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং মুক্তি দিবসের অনুষ্ঠানে দুই কোরিয়ার মধ্যে সংঘাত এড়ানো এবং ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির লক্ষ্যে স্থায়ী শান্তি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
তবে দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ারও তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি মহড়াটিকে অত্যন্ত উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে পিয়ংইয়ং ও মস্কোর সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার মধ্যেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি পদক্ষেপ নিয়ে জাপানের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে রাশিয়ার দখলে যাওয়া একটি বিতর্কিত দ্বীপ পরিদর্শন করায় পুতিনের সমালোচনা করেছে টোকিও।
বিজ্ঞাপন
হোক্কাইডোর কাছাকাছি অবস্থিত ওই দ্বীপকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে জাপান।
সূত্র: রয়টার্স








