পবিত্র মক্কায় হামলাকে ‘গুরুতর অপরাধ’ বললেন দুই ইমাম

মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সৌদি আরবের মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও মদিনার মসজিদে নববীর ইমামরা। শুক্রবারের খুতবায় তারা দুই পবিত্র মসজিদ ও মক্কার নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলার ঘটনাকে ‘গুরুতর অপরাধ’ এবং ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধের অবমাননা হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম ও খতিব শেখ বান্দার বালিলাহ বলেন, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা এবং নিরপরাধ মানুষের জীবন একটি ‘রেড লাইন’। মুসলমানদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি কিংবা পবিত্র স্থানগুলোকে হুমকির মুখে ফেলার যেকোনো প্রচেষ্টা এসব স্থানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে।
তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর পবিত্র ঘর এবং তাঁর রাসুলের মসজিদকে লক্ষ্য করার সাহস দেখায়, ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।’
শেখ বান্দার হুতিদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় স্লোগানকে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের আড়াল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করেন। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের হামলা সৌদি নেতৃত্ব ও জনগণের ঐক্য আরও শক্তিশালী করবে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, মসজিদে নববীর ইমাম শেখ আবদুলমোহসেন আল-কাসিম বলেন, মক্কা ও মদিনাকে হুমকির মুখে ফেলা হুতি হামলা এমন সন্ত্রাসী প্রবণতার প্রতিফলন, যা মুসলমানদের রক্তপাতকে বৈধ মনে করে এবং নিরাপদে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে চায়।
ইমামদের এই বক্তব্য আসে মক্কার দক্ষিণে একটি হুতি ড্রোন ভূপাতিত করার কয়েক দিন পর। সৌদি নেতৃত্বাধীন ইয়েমেন জোটের দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে ড্রোনটি মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী সেটি ধ্বংস করে।
বিজ্ঞাপন
জোটের ভাষ্য, এটি মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের দ্বিতীয় হামলার প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কাকে লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনাকে প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে তারা।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে বলেছে, মক্কার পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার দেশটির রয়েছে।
সূত্র: সৌদি গেজেট








