আজ নিউইয়র্কে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-জেলেনস্কি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে বৈঠকে বসছেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে স্থানীয় সময় বিকেলে তাদের এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দুই নেতাই বর্তমানে অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন।
বিজ্ঞাপন
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এএফপিকে জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে জেলেনস্কি ও ট্রাম্পের মধ্যে ফোনে কথা হয় এবং তারা নিউইয়র্কে বৈঠকের বিষয়ে সম্মত হন। জেলেনস্কি পরে শান্তি প্রচেষ্টায় কূটনৈতিক গতি তৈরি হওয়ার কথা জানান।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তিচুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেই প্রচেষ্টা অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। এখন নতুন করে সরাসরি শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগের অংশ হিসেবে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির এই বৈঠক হতে যাচ্ছে।
এদিকে রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের বিরুদ্ধে দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে। ইউক্রেন সম্প্রতি রাশিয়ার কয়েকটি তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যেই যুদ্ধের উত্তেজনা কমাতে দুই পক্ষের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ন্ত্রণ হারিয়েছে’। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, রাশিয়ার বিপুলসংখ্যক ডিজেল শোধনাগার ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি এ যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের ওই পোস্টের জবাবে জেলেনস্কি এক্সে লেখেন, শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার জন্য কিছু প্রস্তাব আলোচনার টেবিলে আছে। উত্তেজনা কমানোর শক্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। ইউক্রেনের জ্বালানি খাত, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও খাদ্য রপ্তানি খাত লক্ষ্য করে রাশিয়ার হামলার বন্ধ করতে হবে। তাহলে ইউক্রেনও হামলা বন্ধ করতে পারবে। এ সংকটের সমাধান সম্ভব।
বিজ্ঞাপন
এর আগে গত সপ্তাহে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা না চালানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এর এক দিন আগে রাশিয়ার একটি তেল শোধনাগারে হামলা চালানোর ঘটনায় কিয়েভের সমালোচনা করেছিলেন তিনি।
এদিকে সোমবার নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ইউক্রেনের জন্য প্রতিরক্ষা সহায়তা এবং রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়েও তাদের আলোচনা হয়েছে।








