ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, দুদিনে নিহত ১৫০ জনের বেশি

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি আরব-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। এতে মাত্র দুই দিনে দেশটিতে ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দেওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) হুথি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, তাইজ, আল-জাওয়াফ ও সা’দা এলাকায় সৌদি বিমান হামলা, সম্মুখ লড়াই এবং কামানের গোলাবর্ষণে ১১৮ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ৩৬ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে। দুই পক্ষের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৪ জনে।
এদিকে মঙ্গলবার সকালে সৌদি আরবের নাজরান এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। পরে অবশ্য সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। নাজরান সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সীমান্তবর্তী একটি অঞ্চল।
'হুথিদের দমনে মার্কিন অভিযান শেষ মুহূর্তে থামালেন ট্রাম্প
বিজ্ঞাপন
হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে প্রায় প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল মার্কিন বিমানবাহিনী। তবে শেষ মুহূর্তে অভিযান বাতিলের নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত রোববার এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের অনুরোধে হুথি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইয়েমেনে বিমান হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেই অনুযায়ী রোববার রাতে অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করে মার্কিন বিমানবাহিনী।
বিজ্ঞাপন
সব প্রস্তুতি শেষে, এমনকি বিমানে বোমা-গোলাবারুদ লোড করার পর যখন অভিযানে যাওয়ার জন্য উদ্যত হন মার্কিন বিমান-সেনারা, সে সময়ে হঠাৎ অভিযান বাতিলের নির্দেশ আসে হোয়াইট হাউস থেকে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বয়ং এ নির্দেশ দেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসে এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর এ ব্যাপরে আরও বিস্তারিত জানতে মধ্যপ্রাচ্যে অভিযানরত মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স। সেন্টকমের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। সেই অনুযায়ী হোয়াইট হাউসেও যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স; কিন্তু হোয়াইট হাউসের কোনো কর্মকর্তা এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সূত্র: এএফপি, রয়টার্স








