নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন বগুড়ার রুশমী, উচ্ছ্বসিত শিক্ষক

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা রুশমী রোজের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রুশমীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তার সাবেক শিক্ষক মামুনুর রশিদ। প্রায় দুই দশক আগে বগুড়ায় রুশমীকে পড়িয়েছেন তিনি। সাবেক ছাত্রীকে নিউইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেখে গর্বিত এই শিক্ষক।
রুশমী রোজ বগুড়া শহরের কাটনারপাড়ার বাসিন্দা প্রয়াত সমাজসেবী মাহফুজ আরা মিভার বড় মেয়ে। প্রায় ২২ থেকে ২৩ বছর আগে তিনি শিক্ষক মামুনুর রশিদের কাছে পড়াশোনা করেন। তার ছোট বোন রোশানাও একই শিক্ষকের ছাত্রী ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান। পরদিন থেকে শুরু হয় তার বিভিন্ন কর্মসূচি। ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘকেন্দ্রিক ব্যস্ততার মধ্যে সদর দপ্তরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রুশমীর সঙ্গে তার কথা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রুশমী নিউইয়র্ক পুলিশে কাজ করছেন জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী তার খোঁজখবর নেন বলে জানান তার সাবেক শিক্ষক। মামুনুর রশিদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করা রুশমীর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল। নিউইয়র্কে সেই সাক্ষাৎ হওয়ায় তিনি আবেগাপ্লুত হয়েছেন।
জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক আয়োজনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের এই সাক্ষাৎকে ঘিরে বগুড়ায়ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একদিকে জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক কর্মসূচি, অন্যদিকে নিউইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা হিসেবে রুশমীর দায়িত্ব পালন—দুটি বিষয়ই ঘটনাটিকে আলোচনায় এনেছে।
নিজের সাবেক ছাত্রীকে নিউইয়র্ক পুলিশের মতো প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করতে দেখে শিক্ষক মামুনুর রশিদও আনন্দিত। রুশমীর এই পথচলাকে তিনি নিজের শিক্ষকতা জীবনের একটি গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।








