এবার সরাসরি আন্দোলনে নামলেন অভিজিত দ্বীপকে ও ধ্রুব রাঠী

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দ্বীপক। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে আয়োজিত ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’-এ তারা অংশ নেন। এরপর ‘চপ্পল বিক্ষোভ’ কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞাপন
ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে। তবে এসব অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভিন্ন অবস্থান রয়েছে।
পিপলস ট্রাইব্যুনালে অভিজিৎ দ্বীপক জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানান। তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগও উঠে আসে। এ ধরনের অভিযোগের প্রতিবাদে পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।
ধ্রুব রাঠীও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও গোয়ার ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়া বা যুক্ত করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দাবি করেন। তাঁর বক্তব্যে ভোটারদের অধিকার ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রাঠী বলেন, ‘আমি বিজেপির ভোটারদেরও বলতে চাই: ভোট হলো একটি অধিকার। বিজেপির সমর্থকরা ভোট চুরির অভিযোগটি নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। কিন্তু আমার তিনটি দাবি ও প্রশ্ন আছে।’
এরপর তিনি পশ্চিমবঙ্গে ৭০ লাখ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার পর নির্বাচনের পর সেগুলো কীভাবে ফিরে এলো, বিহারে ৪০ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়ে কমিশনের ভূমিকা এবং উত্তরপ্রদেশে হঠাৎ ১৪ লাখ মানুষের নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে গোয়ায় ভোটার তালিকায় নতুন নাম যুক্ত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেন।
বেঙ্গালুরুর এই কর্মসূচির পর ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে আরও বড় বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। সেখানে ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি সামনে রাখার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারের কর্মসূচিতে অভিনেতা ও অধিকারকর্মী প্রকাশ রাজও অংশ নেন। আয়োজকদের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বলে দাবি করা বিভিন্ন ব্যক্তি ও নাগরিকদের বক্তব্য তুলে ধরতেই ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’ আয়োজন করা হয়েছে।








