Logo

সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১৮:৪০
সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পরিবহন পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশন এবং রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। সোমবার (২৬ অক্টোবর) গোষ্ঠীটি এ দাবি করে। তবে এসব হামলার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

এর আগে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, রাজধানী সানায় দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে। জোটটির দাবি, এর মধ্যে একটি কেন্দ্র থেকে রিয়াদের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশেই প্রতিহত করা হয়।

হুথিদের দাবি করা হামলাগুলো নিয়ে পরিস্থিতি স্পষ্ট না হলেও সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও বিমানবন্দরকে ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে।

ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা হুথিরা অতীতে সৌদি আরবের বিমানবন্দর, বন্দর ও তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। এসব হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরব বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

বিজ্ঞাপন

হুথিরা রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলা চালানোর দাবি করেছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে গোষ্ঠীটির দাবি করা একটি হামলায় ১৩ জন নিহত হওয়ার পর রোববার (২৫ অক্টোবর) বিমানবন্দরটির দুটি টার্মিনালে আবার কার্যক্রম শুরু হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে ওই হামলাকে এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সর্বশেষ হামলার দাবিগুলোর বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত বক্তব্য না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য স্পষ্ট নয়।

এদিকে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পরিকল্পিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলে ইরানপন্থি হুথিদের সৌদি আরবে ধারাবাহিক হামলা শুরুর পর সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত জোটের সব সদস্যের সঙ্গে ইরানের এটিই হবে প্রথম উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ।

আঞ্চলিক সমন্বয় জোরদার এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করাই বৈঠকের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে জানা গেছে। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার দাবির মধ্যে এ আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে কতটা ভূমিকা রাখবে, তা এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: রয়টার্স

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD