Logo

নির্বাচনকালে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রধান উপদেষ্টা

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১৪:০৪
নির্বাচনকালে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়েই জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে এবং তাতে তার সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন চলাকালীন সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ ও নিরপেক্ষ প্রশাসন নিশ্চিত করা হবে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আলবার্ট গোম্বিস ও মর্স ট্যান সৌজন্য সাক্ষাতে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ও ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে। তবু ১২ ফেব্রুয়ারিতে ভোট হবে ঠিক সময়ে, এক দিন আগে বা পরে নয়। ভোট হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর পরিবেশে। নির্বাচনের পর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।

ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ও সফররত কূটনীতিকরা আসন্ন নির্বাচন, জুলাই অভ্যুত্থান ও তার পরবর্তী পরিস্থিতি, তরুণ প্রতিবাদকারীদের উত্থান, জুলাই সনদ ও গণভোট, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছড়ানো ভুয়া খবর এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের অনুমোদন পাবার পর জুলাই সনদ গণতান্ত্রিক শাসনের নতুন যুগের সূচনা করবে এবং ভবিষ্যতে স্বৈরাচারের কোনো সুযোগ রাখবে না।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, সাবেক স্বৈরাচারী শাসনের সমর্থকরা নির্বাচনকে ঘিরে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রচার করছে। তবে মানুষ এখন সজাগ, ক্রমেই তারা এআই তৈরি ভুয়া ভিডিও শনাক্ত করতে পারছে।

এই সময়, সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি আলবার্ট গোম্বিস বলেন, ভুয়া খবর বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান হুমকি। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

উভয় কূটনীতিক গত দেড় বছরে বাংলাদেশ পরিচালনায় প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকার প্রশংসা করেন। তারা জানতে চান, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ-পরবর্তী সময়ের মতো বাংলাদেশে সত্য ও পুনর্মিলন প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব কি না।

প্রধান উপদেষ্টা উত্তরে জানান, দক্ষিণ আফ্রিকার সত্য ও পুনর্মিলন প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে এমন উদ্যোগ শুরু করার সুযোগ নেই। সত্য ও পুনর্মিলন তখনই সম্ভব, যখন অপরাধী নিজ অপরাধ স্বীকার করবে এবং অনুশোচনা প্রকাশ করবে। এখনো কোনো অনুশোচনা বা অনুতাপ নেই। বরং তারা দাবি করছে, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতরা সন্ত্রাসীদের হাতে মারা গেছে, যা সম্পূর্ণ ভুল।

বৈঠকে এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদও উপস্থিত ছিলেন।

জেবি/এএস
Logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ

মোঃ শফিকুল ইসলাম ( শফিক )

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৫৭, ময়মনসিংহ লেন, ২০ লিংক রোড, বাংলামটর, ঢাকা-১০০০।

ফোনঃ 02-44615293

ই-মেইলঃ dailyjanobaninews@gmail.com; dailyjanobaniad@gmail.com

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD