শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে: নতুন শিক্ষামন্ত্রী মিলন

নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না দিলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমান বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ জিডিপির তুলনায় এখনও কম। প্রথমে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে, তারপর বরাদ্দ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার সচিবালয়ে নিজের অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “একটি রাষ্ট্রের প্রাথমিক পর্যায়ে খাদ্য ও নিরাপত্তার মতো খাতগুলোতে গুরুত্ব দেওয়া স্বাভাবিক। তবে ৫৪ বছর পরও যদি শিক্ষা খাত যথাযথ অগ্রাধিকার না পায়, তা হতাশাজনক। আমাদের আগে নির্ধারণ করতে হবে আমরা কী চাই। অগ্রাধিকার ঠিক না করলে বাজেট বণ্টনেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় আমাদের শিক্ষাবাজেট কম। নেপাল ও শ্রীলঙ্কার চেয়েও কম বরাদ্দে শিক্ষা খাত পরিচালনা হচ্ছে, যা দেখেই বোঝা যায়, বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।”
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, অতীতে শিক্ষা খাতকে যথাযথভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে বাজেটে জিডিপির অনুপাতে বরাদ্দ দুই শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে। তার মতে, এটি পাঁচ থেকে ছয় শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন।
কারিকুলাম সংক্রান্ত বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে পাঠ্যক্রম পরিবর্তন হয়েছে এবং তা নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। কোনো পরিবর্তন বাস্তবতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী হতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
বিজ্ঞাপন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নকল বন্ধ’ ও শিক্ষায় শৃঙ্খলা ফেরানোর প্রসঙ্গ উঠলে মন্ত্রী জানান, তার লক্ষ্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে উন্নীত করা। তিনি বলেন, “দেশের শিক্ষাকে এমন অবস্থায় নিতে হবে, যেখানে উন্নত দেশগুলোও আমাদের শিক্ষা ও গবেষণাকে মূল্যায়ন করবে। দেশের নেতৃত্ব শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি কাজ করতে চাই। সম্মিলিতভাবে কাজ করলে অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান অগ্রগতি সম্ভব। শিক্ষাকে ‘হাস্যকর অবস্থান’ থেকে উন্নত পর্যায়ে নিয়ে আসতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।”








