জমে উঠেছে মিরপুরের ইফতারি বাজার

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় জমজমাট হয়ে উঠেছে ইফতারি বাজার। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর থেকেই মিরপুর ১২ নম্বর, পল্লবী, রূপনগর, ডিওএইচএসসহ আশপাশের এলাকায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতি দেখা যায়।
বিজ্ঞাপন
দুপুর গড়াতেই দোকানিরা নানা পদের ইফতারি সাজিয়ে বসেন। বেগুনি, পিঁয়াজু, আলুর চপ থেকে শুরু করে হালিম, কাবাব ও গ্রিল—সবকিছুরই পসরা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা। ক্রেতারাও ভিড় করছেন পছন্দের খাবার কিনতে; কেউ কেউ আবার মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করছেন। বিক্রেতাদের ধারণা, রমজান শুরু হলে এই ভিড় আরও বাড়বে।
পল্লবী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে নিয়মিত ইফতারি বিক্রি করা মো. শামসুল আলম জানান, বেগুনি, আলুর চপ ও পিঁয়াজু প্রতিটি ৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বুট ও বুন্দিয়া প্রতি ১০০ গ্রাম ২০ টাকা, আর ডিমের চপ ২০ টাকা করে। তার দাবি, গত বছরের মতোই এবারও একই দামে বিক্রি করছেন, কারণ কাঁচামালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, বিভিন্ন অলিগলির দোকানেও বাহারি ইফতার সামগ্রী সাজানো রয়েছে। সাড়ে ১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের আশপাশের কয়েকটি দোকানে ছোলা-বুটের পাশাপাশি ফাস্টফুডও বিক্রি হচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্প্রিং রোল ৩০ টাকা, ফ্রাইড প্রোন ৩০ টাকা, চিকেন স্ট্রিপ ৭০ টাকা, বিফ ও চিকেন কোপ্তা ৫০ টাকা, চিকেন শাসলিক ৭০ টাকা, গ্রিল চিকেন ৫০০ টাকা এবং খাসির লেগ রোস্ট ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ডিম চপ ৩০ টাকা, ভেজিটেবল ও চিকেন টোস্ট ৩০-৫০ টাকা, ভেজিটেবল ও চিকেন রোল ৩০-৫০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের কাবাবের দাম ১৫০ থেকে ১৭০ টাকার মধ্যে। হালিমের হাড়ি আকারভেদে ৩০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
বর্ধিত পল্লবীর বাসিন্দা তাসনিয়া জামান বলেন, বাসায় নিয়মিত গ্যাস না থাকায় ইফতারি কিনেই খেতে হয়। তার মতে, এবারের দাম গত বছরের মতোই রয়েছে।








