মাত্র ২২ দিনেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলো সরকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকার চালু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলার ৭৯টি পরিবারের হাতে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাঞ্ছারামপুরের জগন্নাথপুর আধুনিক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন জাহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলতে সরকার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাঞ্ছারামপুরবাসীর ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকারের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পাওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি নিজ জেলার উন্নয়নেও আমরা গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পর জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, সরকার গঠনের মাত্র ২২ দিনের মাথায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকায় এর উদ্বোধন করা হয়েছে এবং দেশের ১৪টি জেলায় একযোগে এ কার্যক্রম চালু হয়েছে। আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরেও এর সূচনা হলো।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ খালেক (পিএসসি), অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক একে এম ভিপি মুসা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলামসহ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃবৃন্দ।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া প্রতিটি পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ইতোমধ্যে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।








