ধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: আজও বাতিল ২৩ ফ্লাইট

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় বেশ কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর ফলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক ফ্লাইট বাতিল করতে হচ্ছে। রবিবার (১৫ মার্চ) ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে মোট ২৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।
বিজ্ঞাপন
যার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৫ মার্চ) মোট ২৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র ঢাকা পোস্টকে জানায়, যুদ্ধপরিস্থিতিতে আকাশপথ বন্ধের কারণে ঢাকা থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি ফ্লাইট, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি এবং ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি, ১৪ মার্চ ২৪টি এবং ১৫ মার্চ (রোববার) ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতায় রবিবার (১৫ মার্চ) আরও ২৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েতগামী ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার শারজাহগামী ২টি, গালফ এয়ারের বাহরাইনগামী ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের কাতারগামী ৪টি এবং এমিরেটস এয়ারলাইন্সের সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ২টি ফ্লাইট।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া জাজিরা এয়ারওয়েজের কুয়েতগামী ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ৪টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এদিন মোট ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বেবিচক সূত্র আরও জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা থেকে মোট প্রায় ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।
বিজ্ঞাপন








