জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন ভাবনা : বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশেও। জ্বালানি সরবরাহে চাপ ও ব্যয় বৃদ্ধি মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন সাশ্রয়ী পদক্ষেপ বিবেচনায় নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো এবং ঘরে বসে কাজের (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) সুযোগ চালুর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অন্তত আটটি সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে সপ্তাহে অতিরিক্ত একদিন ছুটি যুক্ত করা বা কর্মকর্তাদের সপ্তাহে দুই দিন বাসা থেকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া অফিস কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা, মোট কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা এবং বিদ্যুৎ ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন বিকল্প পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সপ্তাহের একটি অংশে অনলাইন ক্লাস চালুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, এসব বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা শেষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের স্কুলগুলোতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে সপ্তাহে পাঁচ দিনের পরিবর্তে ছয় দিন ক্লাস চালু রেখে অন্তত তিন দিন অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ করে মহানগর এলাকাগুলোতে অনলাইনভিত্তিক ক্লাস চালুর পক্ষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ মতামত দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।








